না। হারাম নয়।কারণ বেহেশত ফল ভোগের জায়গা। আর দুনিয়া পরীক্ষা ক্ষেত্রে।
আল্লাহ কুরআনের আয়াত এমন নির্দেশ করেছেন যে, " দুনিয়ার দাম যদি আল্লাহর কাছে একটা মাছির ডানার সমান মূল্য থাকতো তবে তোমরা কেউ মুনাফেকি করতে পারতে না।"
দুনিয়া যে আখিরাতের তুলনায় কিছু নয়।দুনিয়া আখিরাতের ফসল উদ্যান। আর এখানে যে হালাল হারাম দিয়েছেন তার সব আখিরাতে ভোগ করতে পারবে জান্নাতিগণ।তাই আমরা আখিরাতের নিয়ামতের সাথে দুনিয়ার নিয়ম না মিলানোই উত্তম। সেখানে সবাই তাঁদের (আল্লাহর প্রিয় মানুষ) ইচ্ছে মতো চলাফেরা এবং বাসনা পূরণ করতে পারবে।
মহানবী (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন, আমি আমার নেক বান্দাদের জন্য এমন সব নিয়ামত প্রস্তুত করে রেখেছি, যা কোনো চক্ষু দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং কোনো মানুষের মনে এ সম্পর্কে কোনো ধারণাও জন্মেনি। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৯৯৪)
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জান্নাতে মুমিনদের জন্য মোতির গাঁথুনি করা একটি তাঁবু আছে। এর উচ্চতা ৩০ মাইল। এর প্রত্যেক কোণে মুমিনদের জন্য এমন নারীরা থাকবে যাদের কেউ দেখেনি। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২৯৯৩)
তাই অকারণে ইসলামের নিয়ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করা ভালো। সবাই শান্তিতে নিজ ধর্ম পালন করুন। ইসলামের নীতি মানুষ নিজ হাতে তৈরি করে নি।
